বিয়ের পর দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সন্তান না এলে অনেক দম্পতি প্রথমে সমস্যাটি শুধুমাত্র নারীর বলে মনে করেন। কিন্তু সন্তান না হওয়ার পেছনে পুরুষের বিভিন্ন কারণও থাকতে পারে। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো অ্যাজুস্পার্মিয়া (Azoospermia)।
অ্যাজুস্পার্মিয়া এমন একটি অবস্থা, যেখানে বীর্যপাতের সময় বের হওয়া বীর্যে কোনো শুক্রাণু পাওয়া যায় না। তবে এর অর্থ এই নয় যে সব ক্ষেত্রেই পুরুষের সন্তান নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অ্যাজুস্পার্মিয়ার কারণ এবং ধরন অনুযায়ী চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে শুক্রাণু সংগ্রহ করা বা শুক্রাণু উৎপাদনের সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব।
তাই azoospermia ধরা পড়লে আতঙ্কিত না হয়ে প্রথমে এর কারণ নির্ণয় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অ্যাজুস্পার্মিয়া কী?
সহজ ভাষায়, পুরুষের বীর্যে যখন পরীক্ষার মাধ্যমে কোনো শুক্রাণু পাওয়া যায় না, তখন তাকে অ্যাজুস্পার্মিয়া বলা হয়।
সাধারণভাবে বীর্যের মধ্যে থাকা শুক্রাণু নারীর ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়ে গর্ভধারণে ভূমিকা রাখে। কিন্তু অ্যাজুস্পার্মিয়ার ক্ষেত্রে বীর্যের নমুনায় শুক্রাণু পাওয়া যায় না। এই কারণে স্বাভাবিকভাবে সন্তান ধারণ করা কঠিন বা অসম্ভব হতে পারে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—অ্যাজুস্পার্মিয়া মানেই শুক্রাণু একেবারেই তৈরি হচ্ছে না, এমন নয়। কারও ক্ষেত্রে শুক্রাণু তৈরি হলেও কোনো ধরনের বাধার কারণে তা বীর্যের সঙ্গে বাইরে আসতে পারে না। আবার কারও ক্ষেত্রে শুক্রাণু তৈরির প্রক্রিয়াতেই সমস্যা থাকতে পারে।
এই পার্থক্যটি বোঝা চিকিৎসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অ্যাজুস্পার্মিয়ার প্রকারভেদ
অ্যাজুস্পার্মিয়াকে প্রধানত দুই ধরনের ভাগে দেখা হয়:
- অবস্ট্রাকটিভ অ্যাজুস্পার্মিয়া (Obstructive Azoospermia)
- নন-অবস্ট্রাকটিভ অ্যাজুস্পার্মিয়া (Non-obstructive Azoospermia)
দুই ধরনের সমস্যার কারণ এবং চিকিৎসা পদ্ধতি এক নয়।
অবস্ট্রাকটিভ অ্যাজুস্পার্মিয়া (Obstructive)
এই ধরনের অ্যাজুস্পার্মিয়ায় সাধারণত পুরুষের অণ্ডকোষে শুক্রাণু তৈরি হতে পারে, কিন্তু শুক্রাণু বীর্যের সঙ্গে বাইরে আসার পথে কোথাও বাধা থাকে।
অর্থাৎ সমস্যাটি অনেকটা রাস্তার মতো—শুক্রাণু তৈরি হচ্ছে, কিন্তু বের হওয়ার পথে রাস্তা বন্ধ।
এই বাধা শুক্রাণু বহনকারী নালি বা প্রজনন অঙ্গের অন্য কোনো অংশে হতে পারে। আগের কোনো অস্ত্রোপচার, ভ্যাসেকটমি, সংক্রমণ, জন্মগত সমস্যা বা অন্য কোনো কারণে এই ধরনের বাধা তৈরি হতে পারে।
এই ক্ষেত্রে কিছু রোগীর জন্য অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বাধা দূর করার চেষ্টা করা যায়। আবার প্রয়োজন অনুযায়ী অণ্ডকোষ বা এপিডিডাইমিস থেকে শুক্রাণু সংগ্রহ করে IVF/ICSI-এর মতো সহায়ক প্রজনন পদ্ধতিও ব্যবহার করা যেতে পারে।
নন-অবস্ট্রাকটিভ অ্যাজুস্পার্মিয়া (Non-obstructive)
নন-অবস্ট্রাকটিভ অ্যাজুস্পার্মিয়ায় মূল সমস্যা হলো শুক্রাণু উৎপাদনের ক্ষেত্রে।
অর্থাৎ শুক্রাণু তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়ায় সমস্যা থাকায় বীর্যের মধ্যে শুক্রাণু পাওয়া যায় না। এর পেছনে জেনেটিক সমস্যা, অণ্ডকোষের কার্যকারিতার সমস্যা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য কারণ থাকতে পারে।
তবে নন-অবস্ট্রাকটিভ অ্যাজুস্পার্মিয়াতেও কিছু রোগীর অণ্ডকোষের নির্দিষ্ট অংশে অল্প পরিমাণে শুক্রাণু উৎপাদন হতে পারে। বিশেষ ক্ষেত্রে micro-TESE-এর মতো পদ্ধতির মাধ্যমে সেই শুক্রাণু খুঁজে বের করে IVF/ICSI-তে ব্যবহার করা সম্ভব হতে পারে।

অ্যাজুস্পার্মিয়ার প্রধান কারণসমূহ
অ্যাজুস্পার্মিয়ার পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। তাই শুধুমাত্র একটি রিপোর্ট দেখে কারণ নিশ্চিত করা যায় না। রোগীর চিকিৎসার ইতিহাস, শারীরিক পরীক্ষা, বীর্য পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য পরীক্ষার মাধ্যমে কারণ খুঁজে বের করা হয়।
জেনেটিক বা বংশগত কারণ
কিছু পুরুষের ক্ষেত্রে জন্মগত বা জেনেটিক সমস্যার কারণে শুক্রাণু উৎপাদন কমে যেতে পারে বা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
যেমন, কিছু ক্রোমোজোমের সমস্যা বা Y-chromosome-এর নির্দিষ্ট অংশে genetic abnormality শুক্রাণু উৎপাদনে প্রভাব ফেলতে পারে।
আবার কিছু পুরুষের ক্ষেত্রে জন্মগতভাবে শুক্রাণু বহনকারী নালি অনুপস্থিত থাকতে পারে। এ ধরনের ক্ষেত্রে চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী genetic testing-এর পরামর্শ দিতে পারেন।
সংক্রমণ ও রোগ
পুরুষের প্রজনন অঙ্গের কিছু সংক্রমণ বা রোগ শুক্রাণু উৎপাদন কিংবা শুক্রাণু পরিবহনের পথে সমস্যা তৈরি করতে পারে।
এছাড়া অণ্ডকোষে আঘাত, কিছু দীর্ঘমেয়াদি রোগ, অণ্ডকোষের বিভিন্ন সমস্যা বা আগের চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের ইতিহাসও বিবেচনা করা হয়।
তবে শুধু সংক্রমণ আছে বলেই অ্যাজুস্পার্মিয়া হয়েছে—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। সঠিক কারণ জানতে চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
শরীরে শুক্রাণু উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস ও পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে আসা হরমোন এবং অণ্ডকোষের কার্যকারিতার মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।
এই হরমোনগুলোর ভারসাম্য নষ্ট হলে শুক্রাণু উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে।
এ কারণে অ্যাজুস্পার্মিয়া বা গুরুতর শুক্রাণু সমস্যার ক্ষেত্রে চিকিৎসক FSH, LH, Testosterone এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য হরমোন পরীক্ষা করতে পারেন।
অন্যান্য কারণ
এর বাইরেও বিভিন্ন বিষয় পুরুষের প্রজনন ক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। যেমন—
- অণ্ডকোষে আঘাত
- অণ্ডকোষের কিছু রোগ
- পূর্ববর্তী ভ্যাসেকটমি
- কিছু ধরনের অস্ত্রোপচার
- নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ
- ক্যানসারের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশন
- অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শ
- ধূমপান ও কিছু ক্ষতিকর পদার্থের ব্যবহার
- কিছু দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যা
তবে এসব কারণের যেকোনো একটি থাকলেই অ্যাজুস্পার্মিয়া হবে—এমন নয়। ব্যক্তিভেদে কারণ আলাদা হতে পারে।

অ্যাজুস্পার্মিয়া রোগ নির্ণয়
অ্যাজুস্পার্মিয়া শনাক্ত করার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো কেন শুক্রাণু পাওয়া যাচ্ছে না, সেই কারণ খুঁজে বের করা।
চিকিৎসক সাধারণত রোগীর পূর্বের চিকিৎসার ইতিহাস, সন্তান নেওয়ার চেষ্টা কতদিন ধরে চলছে, কোনো অস্ত্রোপচার বা সংক্রমণের ইতিহাস আছে কি না—এসব জানার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করেন।
বীর্য বিশ্লেষণ (Semen Analysis)
অ্যাজুস্পার্মিয়া নির্ণয়ের অন্যতম প্রধান পরীক্ষা হলো Semen Analysis বা বীর্য বিশ্লেষণ।
এই পরীক্ষায় বীর্যের মধ্যে শুক্রাণু আছে কি না, থাকলে কত পরিমাণে আছে এবং শুক্রাণুর অন্যান্য বৈশিষ্ট্য কেমন—এসব দেখা হয়।
একটি নমুনায় শুক্রাণু না পাওয়া গেলেই সবসময় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় না। চিকিৎসক পরিস্থিতি অনুযায়ী পুনরায় semen analysis করতে বলতে পারেন।
বিশেষ করে অ্যাজুস্পার্মিয়ার ক্ষেত্রে সঠিকভাবে নমুনা পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজন হলে centrifuged semen pellet পরীক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ।
হরমোন পরীক্ষা
শুক্রাণু উৎপাদনে হরমোনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে বিভিন্ন হরমোনের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়।
এর মধ্যে থাকতে পারে—
- FSH
- LH
- Testosterone
- Prolactin
- প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য হরমোন
হরমোনের রিপোর্ট, শারীরিক পরীক্ষা এবং semen analysis-এর ফল একসঙ্গে বিবেচনা করে চিকিৎসক বুঝতে পারেন সমস্যাটি শুক্রাণু উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নাকি অন্য কোনো কারণে হচ্ছে।
জেনেটিক ও ইমেজিং পরীক্ষা
কিছু রোগীর ক্ষেত্রে genetic testing প্রয়োজন হতে পারে। বিশেষ করে শুক্রাণু উৎপাদনের গুরুতর সমস্যা থাকলে চিকিৎসক Karyotype এবং Y-chromosome microdeletion পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন।
আবার নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে অণ্ডকোষ ও আশপাশের অংশের অবস্থা দেখতে ultrasound বা অন্যান্য imaging test প্রয়োজন হতে পারে।
তবে প্রত্যেক রোগীর জন্য একই পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না। রোগীর অবস্থা এবং প্রাথমিক পরীক্ষার ফল অনুযায়ী চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নির্বাচন করেন।
অ্যাজুস্পার্মিয়ার চিকিৎসা
অনেকেই জানতে চান, “এজোস্পার্মিয়া কি চিকিৎসা আছে?”
এর উত্তর হলো—অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসার সুযোগ আছে। তবে কোন চিকিৎসা প্রয়োজন হবে তা সম্পূর্ণভাবে অ্যাজুস্পার্মিয়ার ধরন এবং কারণের ওপর নির্ভর করে।
কারও ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বাধা দূর করা যায়, কারও ক্ষেত্রে হরমোনের সমস্যা চিকিৎসা করা যায়, আবার কিছু ক্ষেত্রে শুক্রাণু সংগ্রহ করে ART-এর মাধ্যমে সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
সার্জারি
যদি অ্যাজুস্পার্মিয়ার কারণ কোনো শারীরিক বাধা হয়, তাহলে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেই বাধা দূর করার চেষ্টা করা যেতে পারে।
যেমন, শুক্রাণু বহনকারী নালিতে বাধা থাকলে উপযুক্ত রোগীর ক্ষেত্রে microsurgical reconstruction করা হতে পারে।
কিছু ক্ষেত্রে অণ্ডকোষ বা epididymis থেকে সরাসরি শুক্রাণু সংগ্রহ করাও সম্ভব। কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে তা রোগীর কারণ ও চিকিৎসা পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করে।
হরমোন থেরাপি
যদি হরমোনের সমস্যার কারণে শুক্রাণু উৎপাদন ব্যাহত হয়, তাহলে কারণ অনুযায়ী হরমোনভিত্তিক চিকিৎসা দেওয়া যেতে পারে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—নিজে থেকে Testosterone বা কোনো fertility medicine গ্রহণ করা উচিত নয়।
বিশেষ করে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে নিজের ইচ্ছায় testosterone নেওয়া উল্টো শুক্রাণু উৎপাদন কমিয়ে দিতে বা বন্ধ করে দিতে পারে। তাই হরমোনের চিকিৎসা অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হওয়া উচিত।
এআরটি (ART)
কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার বা অন্যান্য চিকিৎসার পরও স্বাভাবিকভাবে বীর্যে শুক্রাণু পাওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। তখন Assisted Reproductive Technology (ART) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
রোগীর পরিস্থিতি অনুযায়ী অণ্ডকোষ বা epididymis থেকে শুক্রাণু সংগ্রহ করে IVF বা ICSI-এর মতো চিকিৎসায় ব্যবহার করা যেতে পারে।
বিশেষ করে non-obstructive azoospermia-এর কিছু রোগীর ক্ষেত্রে micro-TESE (Microsurgical Testicular Sperm Extraction) পদ্ধতির মাধ্যমে অণ্ডকোষের ভেতরের নির্দিষ্ট অংশ থেকে শুক্রাণু খোঁজার চেষ্টা করা হয়। যদি কার্যকর শুক্রাণু পাওয়া যায়, তা ICSI-এর মাধ্যমে ডিম্বাণুর সঙ্গে নিষিক্ত করার চেষ্টা করা যেতে পারে।
তাই অ্যাজুস্পার্মিয়া ধরা পড়লেও “সন্তান নেওয়া সম্ভব নয়”—এমন সিদ্ধান্ত আগে থেকেই নেওয়া উচিত নয়। প্রথমে সমস্যার ধরন এবং চিকিৎসার সম্ভাবনা সম্পর্কে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞ পরামর্শ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
অ্যাজুস্পার্মিয়া একটি একক রোগ নয়; এর পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তাই শুধুমাত্র একটি semen analysis রিপোর্ট দেখে চিকিৎসা শুরু করা উচিত নয়।
একজন পুরুষের ক্ষেত্রে যে চিকিৎসা কার্যকর হতে পারে, অন্যজনের ক্ষেত্রে সেটি প্রয়োজন নাও হতে পারে। এজন্য male infertility এবং reproductive medicine বিষয়ে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞের কাছে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিকল্পনা করা গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক কারণ নির্ণয় করা গেলে অনেক ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার, হরমোন চিকিৎসা, sperm retrieval অথবা ART-এর মতো বিভিন্ন চিকিৎসার সুযোগ থাকে।
অ্যাজুস্পার্মিয়া হলে কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
বিয়ের পর নিয়মিত অসুরক্ষিত যৌনসম্পর্কের পরও দীর্ঘদিন গর্ভধারণ না হলে শুধু নারী নয়, পুরুষেরও fertility evaluation করা গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ করে আগে কোনো অণ্ডকোষের সমস্যা, অস্ত্রোপচার, ভ্যাসেকটমি, সংক্রমণ, হরমোনের সমস্যা বা fertility-related চিকিৎসার ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
বীর্য পরীক্ষায় অ্যাজুস্পার্মিয়া পাওয়া গেলে বিষয়টি নিয়ে ভয় না পেয়ে দ্রুত একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো। কারণ যত দ্রুত সমস্যার কারণ জানা যাবে, তত দ্রুত উপযুক্ত চিকিৎসা পরিকল্পনা করা সম্ভব হবে।
অ্যাজুস্পার্মিয়ার চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন
অ্যাজুস্পার্মিয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে সঠিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
হারভেস্ট ইনফার্টিলিটি কেয়ার-এ আপনি বাংলাদেশের প্রথম এবং ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ ডাঃ মুশতাক আহমেদ-এর কাছ থেকে পরামর্শ নিতে পারবেন।
আজই যোগাযোগ করুন
মোবাইল:
০১৮১৭-১৪৬৬৪০
০১৭০৬৩২০০৩৯
ঠিকানা
প্রধান কার্যালয়:
ব্লক-এ, বাসা-০৯, রোড নং-০৬, মিরপুর-১০, ঢাকা-১২১৬
(মেট্রোরেলের পিলার নং ২৩৩ এবং ইনডোর স্টেডিয়ামের বিপরীতে)
সিলেট চেম্বার:
থাইরোকেয়ার লেভেল-৩, আল মাদানী টাওয়ার, আজাদি ৬১-৬২, নয়া সড়ক, মিরবক্স টুলা, সিলেট
(সিলেট উইমেন্স মেডিকেল হাসপাতালের বিপরীতে)
দিনাজপুর চেম্বার:
ইউনিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মেডিকেল মোড়
(হাসপাতাল ২ নম্বর গেটের সামনে), দিনাজপুর সদর-৫২০০।
মনে রাখবেন: অ্যাজুস্পার্মিয়া মানেই আশা শেষ নয়। সমস্যার ধরন ও কারণ অনুযায়ী চিকিৎসার বিভিন্ন সুযোগ থাকতে পারে। তাই রিপোর্ট হাতে পেলে দেরি না করে একজন অভিজ্ঞ fertility specialist-এর পরামর্শ নিন।