IUI কিভাবে করা হয়? আই ইউ আই পদ্ধতি ও চিকিৎসার ধাপসমূহ
সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করার পরও দীর্ঘদিন গর্ভধারণ না হলে অনেক দম্পতি বিভিন্ন ধরনের ফার্টিলিটি ট্রিটমেন্টের কথা জানতে চান। এর মধ্যে […]
সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করার পরও দীর্ঘদিন গর্ভধারণ না হলে অনেক দম্পতি বিভিন্ন ধরনের ফার্টিলিটি ট্রিটমেন্টের কথা জানতে চান। এর মধ্যে […]
অনেক দম্পতি দীর্ঘদিন চেষ্টা করার পরও স্বাভাবিকভাবে সন্তান ধারণ করতে না পারলে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসার বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চান। এর
বিয়ের পর দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সন্তান না এলে অনেক দম্পতি প্রথমে সমস্যাটি শুধুমাত্র নারীর বলে মনে করেন। কিন্তু সন্তান না
অনেক নারী জানতে চান, পেগনেট হওয়ার লক্ষণ কি? বিশেষ করে যারা সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন বা অসুরক্ষিত যৌনমিলনের পর গর্ভধারণের
সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন বা মাসিক নির্ধারিত সময়ে না হলে অনেকের মনেই প্রথম যে প্রশ্নটি আসে, সেটি হলো, আমি কি
গর্ভাবস্থায় একজন মায়ের শরীরে রক্তের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেড়ে যায়। একই সঙ্গে গর্ভের শিশুর বৃদ্ধি, প্লাসেন্টা তৈরি এবং মায়ের
গর্ভাবস্থায় শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন ঘটে। এর মধ্যে একটি সাধারণ পরিবর্তন হলো মাঝে মাঝে পেট শক্ত হয়ে যাওয়া। অনেক গর্ভবতী
গর্ভাবস্থায় শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন ঘটে। এই সময়ে অনেক নারী হজমের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস কিংবা পাতলা পায়খানার মতো সমস্যার সম্মুখীন
গর্ভাবস্থা একজন নারীর জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। এই সময়ে মায়ের শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন ঘটে, যার বেশিরভাগই স্বাভাবিক। তবে
পিরিয়ড বা মাসিক নারীদের জীবনের একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। সাধারণত প্রতি ২১ থেকে ৩৫ দিন পর মাসিক হয় এবং রক্তপাত