শুক্রাণু বৃদ্ধির উপায়: শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণগত মান বাড়ানোর পদ্ধতি
বর্তমান সময়ে অনেক দম্পতি সন্তান ধারণে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন। এর অন্যতম একটি কারণ হলো পুরুষের শুক্রাণুর সংখ্যা কমে […]
বর্তমান সময়ে অনেক দম্পতি সন্তান ধারণে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন। এর অন্যতম একটি কারণ হলো পুরুষের শুক্রাণুর সংখ্যা কমে […]
অনেক দম্পতির মনে একটি সাধারণ প্রশ্ন থাকে, পুত্র সন্তান লাভের কৌশল কি সত্যিই আছে? কেউ জানতে চান কি খাবার খেলে
অনেক ক্ষেত্রে সন্তান ধারণে বিলম্বের পেছনে পুরুষের প্রজনন সমস্যাও দায়ী হতে পারে। ছেলেদের বাচ্চা না হওয়ার কারণ, শুক্রাণু কমে যাওয়ার
সাধারণত একজন নারীর পিরিয়ড বা মাসিক ৩ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হয়। তবে যদি মাসিক ১০ দিনের বেশি চলতে থাকে,
মায়ের বুকের দুধ একটি নবজাতকের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ, পুষ্টিকর এবং প্রয়োজনীয় খাবার। শিশুর জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র বুকের
অনেকেই চেষ্টা করেও গর্ভধারণে দেরি হওয়ার মূল কারণ হলো সঠিক সময় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকা। নারীদের মাসিক চক্রের একটি
গর্ভাবস্থায় সহবাসের নিয়ম নিয়ে অনেক দম্পতির মধ্যেই দ্বিধা ও ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকেই ভাবেন, গর্ভবতী অবস্থায় সহবাস করা যাবে কিনা
কিছু সবজি আছে যেগুলো গর্ভাবস্থায় এড়িয়ে চলা বা বিশেষ সতর্কতার সাথে খাওয়া উচিত। বিশেষ করে কাঁচা বা আধা-সেদ্ধ সবজি যেমন
প্রাকৃতিক উপায় অনুসরণ করেই পুরুষের টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধি করা সম্ভব। নিয়মিত ভারোত্তোলন বা হাই-ইনটেনসিটি ব্যায়াম, জিংক, ভিটামিন ডি ও ম্যাগনেসিয়াম
কিছু ফল আছে যেগুলো গর্ভাবস্থায় এড়িয়ে চলা বা সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। বিশেষ করে কাঁচা বা আধা-পাকা পেঁপে ল্যাটেক্স উপাদানের